কউক এর উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ

/কউক এর উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ
কউক এর উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ 2017-07-25T10:20:08+00:00

০১। কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বহুতল অফিস ভবন নির্মাণ:

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ১০ তলা অফিস ভবনের থ্রিডি ছবি

০২। ইমারতের নকশা অনুমোদন:

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতাধীন এলাকায় ভবন নির্মাণ নকশা অনুমোদন কার্যক্রম বিগত ২৩শে জানুয়ারী- ২০১৭ইং আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে এবং মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিম্নলিখিত মতে একটি বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন কমিটি অনুমোদন প্রদান করা হয়।

বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন কমিটি
কর্তৃপক্ষের আওতাধীন এলাকার ভবন নির্মাণ, ভূমি উন্নয়ন, পাহাড় কর্তন, সমুদ্র সৈকতের পাশে আবাসিক, বাণিজ্যিক হোটেল/ ভবন অথবা পর্যটন মন্ত্রণালয়ের আইনে উল্লেখিত বাংলাদেশ পর্যটন সংরক্ষিত এলাকাসমূহ বা বিশেষ পর্যটন অঞ্চলে অবস্থিত যেকোন স্থাপনার ক্ষেত্রে উক্ত বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন কমিটির অনুমোদন প্রয়োজন হবে।
নিম্নলিখিত সদস্য নিয়ে কমিটি গঠিত হয়ঃ
১। চেয়ারম্যান- সভাপতি।
২। সদস্য (প্রকৌশল) – সদস্য।
৩। স্থপতি (স্থাপত্য অধিদপ্তর কর্তৃক মনোনীত) – সদস্য।
৪। নির্বাহী প্রকৌশলী (কক্সবাজার পৌরসভা কর্তৃক মনোনীত) – সদস্য।
৫। নগর পরিকল্পনাবিদ (নগর উনড়বয়ন অধিদপ্তর হতে মনোনীত) – সদস্য।
৬। অথরাইজড অফিসার- সদস্য সচিব।

০৩। মাস্টার প্ল্যান, পরিকল্পিত নগরায়ন ও ইমারত নির্মাণ বিষয়ে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা:

কর্তৃপক্ষের আওতাধীন এলাকায় পরিকল্পিত নগরায়নের লক্ষ্যে মাস্টার প্ল্যান, পরিকল্পিত নগরায়ন ও ইমারত নির্মাণ বিষয়ে সাধারণ জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিয়মিত বিভিন্ন সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে নিম্নলিখিত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে :-
ক) কক্সবাজারের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় সভা;
খ) কক্সবাজারের সকল   প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাথে মতবিনিময় সভা;
গ) কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটের শিক্ষক- শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা;
ঘ) কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা;
ঙ) কক্সবাজার সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা;
চ) কলাতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে মতবিনিময় সভা;
ছ) কক্সবাজারের স্থপতি, প্রকৌশলী ও পরিকল্পনাবিদদের সাথে মতবিনিময় সভা,
জ) টেকনাফ উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, স্থানীয় সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে মতবিনিময় সভা;

০৪। অনুমোদনহীন স্থাপনা উচ্ছেদ ও পাহাড় কাটা রোধকল্পে কার্যক্রম গ্রহণ:

কর্তৃপক্ষের আওতাধীন এলাকায় ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অমান্য করে নির্মিত ও নির্মাণাধীন বিভিন্ন ভবনের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাছাড়া বিভিন্ন সরকারি জমি দখল করে বাড়ি ঘর নির্মাণ ও পাহাড় কাটা রোধকল্পে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পরিবেশ অধিদপ্তর, আনসার, বিজিবি ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।

০৫। কক্সবাজারের ঐতিহ্য ০৩টি পুকুরের সংস্কারসহ সৌন্দর্য বর্ধন:

কক্সবাজার শহরস্থ লালদিঘী, গোলদিঘী ও বাজারঘাটা পুকুরগুলো কক্সবাজারের ঐতিহ্য বহন করে। তাছাড়া বর্তমানে অবৈধ দখলদারদের দখলের কারণে ঐতিহ্যবাহী পুকুরগুলোর সৌন্দর্য হারাচ্ছে। তাই পুকুরগুলো সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। পাড় বাঁধানো, ওয়াকওয়ে নির্মাণ, বসার স্থান, আলোকসজ্জা, সবুজ বেস্টনী, স্ন্যাকস বার সহকারে প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদসহ পর্যটকবান্ধক পরিবেশ গড়ে উঠতে সহায়ক হবে।

বর্তমান লালদিঘী এবং প্রস্তাবিত লালদিঘী

বর্তমান গোলদিঘী এবং প্রস্তাবিত গোলদিঘী

০৬। সমুদ্র তীর সংলগ্ন ১.৯ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ:

– কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও পর্যটকদের সুবিধার্থে সমুদ্র সৈকতের পাশের ১.৯ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ করণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
– যে সমস্ত সুবিধাদি থাকবে- ২০ ফুট ওয়াকওয়ে, ১০ ফুট সাইকেল ওয়ে, ০৬টি চেইঞ্জিং রুম, ০৫টি শপিং কমপ্লেক্স এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক ওয়াশরুম।

০৭। কর্তৃপক্ষের স্থায়ী আয়ের উৎসের জন্য বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ:

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের স্থায়ী আয়ের উৎসের জন্য কলাতলীস্থ ০.৫৫ একর  জমি বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে । উক্ত বহুতল  বাণিজ্যিক ভবন নির্মানের ডিপিপি তৈরীর কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

০৮। সোয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি):

কক্সবাজার শহর এলাকার জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে একটি সোয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) নির্মাণ করার পরিকল্পনা কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করতে যাচ্ছে।

০৯। জলবায়ু পরিবর্তনে ব্যবস্থা গ্রহণ:

কক্সবাজার পর্যটন শহর বিধায় বায়োডাইভার্সিটির উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং সংরক্ষণ কৌশল বিষয়টি অত্যন্ত জরুরী। তাই এ বিষয়ে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রণীত ডিপিপি মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।